বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর চলমান সহিংসতা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে অস্থির করে তুলেছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে মহম্মদ ইউনুছের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনকালে ২,৯০০ এর বেশি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। হিন্দু, খ্রীষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্ভাসিত হয়েছে।
বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান, বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মৈমনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস ও রাজবাড়ীতে অমৃত মণ্ডলের হত্যা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে ভারত মন্তব্য করেছে। ভারত ইউনুছ সরকারের প্রতি দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছে।ভারত আরও অভিযোগ করেছে, কিছু মানুষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংবাদমাধ্যমের খবরগুলোকে অতিরঞ্জিত করছে। ছাত্র নেতা শ্বরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে ভারতকে নিয়ে চলা অপপ্রচারকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছে ভারত। বাংলাদেশের চলমান অরাজকতার জন্য সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে বলে ভারতের অভিমত।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনের বিষয়ে ভারত গভীরভাবে লক্ষ্য রাখছে এবং নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে। বিএনপি নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভারত বলেছে, তারা সবসময় বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক পরিবেশ চায়।
