বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে ক্রীড়া সংঘাত রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক অস্থিরতার রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগ (আই পি এল) এর সম্প্রচার এবং প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ৫ জানুয়ারী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আই পি এল সম্পর্কিত সকল কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করে। কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের অব্যাহতির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভারতীয় ক্রীকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই) ৩ জানুয়ারী কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের পেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া মারাত্মক হয়েছে বলে সরকারের বিবৃতি উল্লেখ করে। বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত শৈকিয়াও নিশ্চিত করেছেন যে বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তার পরিবর্তে অন্য খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি রয়েছে।
এছাড়াও, বাংলাদেশ ক্রীকেট দলের ২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের সফর করার কোনো ইচ্ছা নেই। নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশ ক্রীকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের খেলোয়াড়দের ভারত সফরের জন্য প্রস্তুত নয় বলে জানিয়েছে। কলকাতা এবং মুম্বাইয়ে হওয়া ম্যাচগুলি স্থানান্তরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) তারা একটি অফিসিয়াল চিঠি দিয়েছে। এই ক্রীড়া সংঘাতটি এখন বিশ্ব ক্রীকেটের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।
